আল-কুরআনের অপর একটি নাম হলো আল-ফুরকান। ‘ফুরকান’ অর্থ পার্থক্যকারী। পবিত্র কুরআনের এই নামটির বিশেষ তাৎপর্য হলো, এটি মানুষের সামনে সঠিক ও ভুল পথকে স্পষ্টভাবে আলাদা করে দেয়। যখন মানবজাতি সঠিক পথ হারিয়ে ফেলেছিল, তখন আল্লাহ তায়ালা কুরআন অবতীর্ণ করে হকের সাথে বাতিলের পার্থক্য বুঝিয়ে দিয়েছেন। কুরআন যাকে সত্য হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে সেটিই প্রকৃত সত্য, আর যাকে এটি প্রত্যাখ্যান করেছে তা নিশ্চিতভাবেই মিথ্যা ও বিভ্রান্তি।
কেবল বিশ্বাস নয়, বরং ন্যায় ও অন্যায়ের চিরন্তন মানদণ্ড হিসেবেও কুরআনকে ‘ফুরকান’ বলা হয়। এটি সমাজ ও জীবনে ইনসাফ কায়েমের সঠিক পথ প্রদর্শন করে এবং যা কিছু অকল্যাণকর তা থেকে মানুষকে দূরে রাখে। পবিত্র কুরআনের সুরা আল-ফুরকানে আল্লাহ তায়ালা জানিয়েছেন যে, তিনি এই কিতাব অবতীর্ণ করেছেন যাতে বিশ্ববাসী এর মাধ্যমে সতর্ক হতে পারে। মূলত, জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে ভালো ও মন্দের পার্থক্য চেনার জন্য কুরআনই আমাদের একমাত্র নির্ভরযোগ্য নির্দেশিকা


