Quran Kanon Institute Bangladesh
বাং/EN
লগইন
আমাদের সম্পর্কে

কুরআন কানন পরিচিতি

বিশুদ্ধ উচ্চারণে কুরআন শেখা প্রত্যেক মুসলমানের জন্য অপরিহার্য—এই মৌলিক দায়িত্ববোধকে সামনে রেখে ১৪৪২ হিজরী মোতাবেক ২০২১ সালের মাঝামাঝি সময়ে কুরআন কাননের পথচলা শুরু হয়। সময়ের প্রয়োজন ও মানুষের জীবনব্যস্ততাকে বিবেচনায় নিয়ে শুরু থেকেই এর কার্যক্রমের অন্যতম প্রধান মাধ্যম রাখা হয়েছে অনলাইনভিত্তিক শিক্ষা ও দাওয়াহ কার্যক্রম।

কুরআন কাননের মূল কার্যক্রম তিনটি—শিক্ষা, দাওয়াহ ও মানবসেবা। আর এসব কার্যক্রমের কেন্দ্রবিন্দু হলো কুরআন শিক্ষা ও কুরআনের সঙ্গে মানুষের সম্পর্ক গভীর করা।

শিক্ষা কার্যক্রম

কুরআন কানন এমন একটি সহজ ও সময়োপযোগী শিক্ষাব্যবস্থা গড়ে তুলতে কাজ করছে, যেখানে বয়স, পেশা, অবস্থান কিংবা ব্যস্ততা—কোনোটিই কুরআন শেখার পথে বাধা হয়ে না দাঁড়ায়। যারা কুরআন শেখার সুযোগ পাননি, দ্বীনি প্রতিষ্ঠানে নিয়মিত যাওয়ার সুযোগ নেই, কিংবা শুদ্ধভাবে কুরআন পড়তে চান—সর্বস্তরের মুসলমানের জন্য রয়েছে বিভিন্ন শিক্ষামূলক আয়োজন।

নারী-পুরুষ, শিশু ও প্রাপ্তবয়স্ক—সবার জন্য প্রয়োজন অনুযায়ী কুরআন নাজেরা, শুদ্ধকরণ, তাজবিদ, হিফজ, মাশকে কুরআন, অনুবাদ-তাফসির এবং দৈনন্দিন জীবনের প্রয়োজনীয় দ্বীনি জ্ঞান অর্জনের নানা উদ্যোগ পরিচালিত হচ্ছে। পাশাপাশি ওলামায়ে কেরাম, তলাবা, হুফফাজে কেরাম ও কুরআন শিক্ষার সঙ্গে সংশ্লিষ্টদের জন্যও রয়েছে বিশেষ প্রশিক্ষণ ও দক্ষতা উন্নয়নমূলক কার্যক্রম।

কুরআন কাননের শিক্ষা কার্যক্রমের অন্যতম বৈশিষ্ট্য হলো—শুধু কুরআন পড়ানো নয়; বরং শুদ্ধভাবে পড়া, বুঝে শেখা এবং জীবনে কুরআনের শিক্ষা বাস্তবায়নের জন্য মানুষকে প্রস্তুত করা।


দাওয়াহ কার্যক্রম

কুরআন কানন কুরআন-সুন্নাহর বিশুদ্ধ জ্ঞান মানুষের কাছে সহজ ভাষায় পৌঁছে দিতে এবং কুরআনের প্রতি মানুষের ভালোবাসা ও আগ্রহ সৃষ্টি করতে কাজ করে যাচ্ছে। বিভিন্ন শিক্ষা, প্রশিক্ষণ, আলোচনা, প্রকাশনা ও অনলাইনভিত্তিক উদ্যোগের মাধ্যমে দ্বীনের প্রয়োজনীয় জ্ঞান সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়ার চেষ্টা করা হয়।

বিশেষ করে যারা প্রচলিত দ্বীনি শিক্ষাব্যবস্থার সঙ্গে নিয়মিত যুক্ত হতে পারেন না, তাদের কাছে প্রযুক্তির সহজলভ্য মাধ্যম ব্যবহার করে কুরআন ও দ্বীনের শিক্ষা পৌঁছে দেওয়াকে কুরআন কানন গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব হিসেবে গ্রহণ করেছে।


মানবসেবা কার্যক্রম

মানুষের প্রয়োজনের পাশে দাঁড়ানোও কুরআন কাননের অন্যতম কার্যক্রম। শিক্ষা ও দাওয়াহর পাশাপাশি অসহায়, দরিদ্র ও প্রয়োজনগ্রস্ত মানুষের সহযোগিতা এবং কল্যাণমূলক বিভিন্ন উদ্যোগের মাধ্যমে মানবসেবার ক্ষেত্রেও কাজ করার চেষ্টা করা হয়।

কুরআনের শিক্ষা মানুষকে শুধু জ্ঞানী নয়, বরং দায়িত্বশীল, মানবিক ও কল্যাণকামী মানুষ হিসেবে গড়ে তুলবে—এই প্রত্যাশা থেকেই শিক্ষা ও দাওয়াহর সঙ্গে মানবসেবাকেও কুরআন কাননের কার্যক্রমের গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে দেখা হয়।


আমাদের লক্ষ্য

কুরআনের সঙ্গে মানুষের সম্পর্ক আরও গভীর করা, শুদ্ধভাবে কুরআন শেখার সুযোগ সর্বস্তরের মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়া, কুরআন-সুন্নাহর বিশুদ্ধ জ্ঞান ছড়িয়ে দেওয়া এবং একটি কুরআনমুখী, জ্ঞানসমৃদ্ধ ও মানবিক সমাজ গঠনে ভূমিকা রাখা—কুরআন কাননের মূল লক্ষ্য।

আলহামদুলিল্লাহ, অল্প সময়ের মধ্যেই কুরআন কানন ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ ওলামায়ে কেরাম, শিক্ষিত সমাজ ও সুধীজনদের আস্থা অর্জন করেছে। এর কার্যক্রমও ধীরে ধীরে দেশ ছাড়িয়ে দেশের বাইরেও বিস্তৃত হচ্ছে।

আমরা বিশ্বাস করি—একজন মানুষকে শুদ্ধভাবে কুরআন শেখানো মানে শুধু একজন শিক্ষার্থী তৈরি করা নয়; বরং একটি পরিবার, একটি প্রজন্ম এবং একটি সমাজকে কুরআনের আলোয় আলোকিত করার পথে এগিয়ে যাওয়া।

আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তাআলা কুরআন কাননের এই প্রচেষ্টাকে কবুল করুন, এর কার্যক্রমে বরকত দান করুন এবং বিশ্বময় কুরআনের দ্যুতি ছড়িয়ে দেওয়ার তাওফিক দান করুন। আমীন।
পরিচালক পরিচিতি

কুরআন কানন ইনস্টিটিউটের পরিচালক

লোকমান আল মাহমুদ –নামের মতোই প্রশংসিত। একজন হাফেজে কুরআন। কুরআনপ্রেমী, বলা যায় কুরআনের পাখি। কুরআনের এক তৃষ্ণার্ত খাদেম! যার স্বপ্ন-সাধনা, চিন্তা-চেতনা ও পরিশ্রমের সবটুকু কুরআনময়। তাঁর প্রচেষ্টা –প্রতিটি মানুষের মনে কুরআনের প্রতি গভীর ভালোবাসা জাগানো এবং তাদেরকে কুরআনী শিক্ষায় আলোকিত করা। দিলের এ তামান্না থেকেই তিনি বাংলার বিভিন্ন প্রান্তে সফর করেন, নিরলস পরিশ্রম করে শিক্ষার্থীদের মাঝে সঠিক কুরআনের শিক্ষা পৌঁছে দেন।

কুরআনের সৌন্দর্য বিশ্বময় ছড়িয়ে দেওয়া তাঁর জীবনের প্রধান লক্ষ্য। কুরআনের প্রতি অসীম ভালোবাসা ও গভীর মহব্বত তাঁকে প্রতিনিয়ত নতুন উদ্যমে কাজ করার শক্তি যোগায়। মানুষকে বিশুদ্ধভাবে আল্লাহর কালাম শেখানোর যে তাড়না রয়েছে তাঁর হৃদয়জুড়ে, সত্যিই তা প্রশংসাযোগ্য।
তিনি কেবল একজন শিক্ষকই নন; বরং তিনি শিক্ষকদের প্রশিক্ষক। বর্তমানে তিনি উপমহাদেশের প্রখ্যাত হাফেজে কুরআন, উস্তাযুল হুফফাজ, শায়েখ কারী আব্দুল হকের তত্ত্বাবধানে মাসব্যাপী হুফফাজ মুআল্লিম প্রশিক্ষণ সেন্টারে ‘প্রশিক্ষণ যিম্মাদার’ হিসেবে অত্যন্ত সুনামের সাথে দায়িত্ব পালন করছেন।

এছাড়া ইতোমধ্যে তাঁর তিনটি গ্রন্থ প্রকাশিত হয়েছে। ছাত্রজীবনে নবীজীবনের গুরুত্বপূর্ণ অংশ নিয়ে আরবিতে রচিত বই ‘ইযহুমা ফিলগার’ পাঠকমহলে ব্যাপক সমাদৃত হয়েছে। হিফজ ছাত্রদের জন্য সহজপাঠ্য তাজবিদগ্রন্থ ‘হুসনুল কুরআন’ শিক্ষার্থীদের মধ্যে জনপ্রিয়তা অর্জন করেছে। এছাড়া আল-কুরআন মাশক বিষয়ক তাঁর অনবদ্য সংকলন ‘আত-তামরিনুল কুরআনী’ কুরআনপ্রেমীদের মাঝে বেশ সাড়া ফেলেছে এবং প্রশংসিত হয়েছে।

রব্বে কাবা তাকে স্বপ্ন পথে শক্তি ও সাহস দিন; হিম্মত দিন; পাহাড়সম দৃঢ়তা ও অবিচলতা দান করেন; কুরআনের এই খাদেমের প্রতি ভোরের শিশির কিংবা বৃষ্টি ফোঁটার ন্যায় কল্যাণের বারিধারা অব্যাহত রাখেন। তাঁর সকল প্রচেষ্টার সফলতা দান করেন। আমিন! সুম্মা আমিন!


–মুফতি উবায়দুল হক খান

মুহাদ্দিস, জামিআতুস সুফফাহ আল ইসলামিয়া গাজীপুর 

আমাদের লক্ষ্য

যে লক্ষ্য নিয়ে আমরা কাজ করি

আমাদের সাথে যুক্ত হন

নিয়মিত আপডেট, ক্লাসের খবর ও দ্বীনি কনটেন্ট পেতে আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায় যুক্ত থাকুন।
আপনার প্রশ্নের উত্তর

প্রশ্ন ও উত্তর

কুরআন কাননের কোর্স, অনলাইন ক্লাস, পেমেন্ট ও ভর্তি সংক্রান্ত সাধারণ প্রশ্নগুলোর উত্তর নিচে দেওয়া হলো।
Quran Kanon Institute Bangladesh
কুরআন কানুনে সর্বস্তরের মুসলমান -যাদের কুরআন শিখার সুযোগ হয়নি অথবা দ্বীনি প্রতিষ্ঠানে যাওয়ার সুযোগ নেই তাদের জন্য একটি বিশ্বস্ত প্লাটফর্ম।
Get it on Google Play
দ্রুত লিংক
আইনি তথ্য
যোগাযোগ
উত্তরা, ঢাকা, বাংলাদেশ
© ২০২৬ কুরআন কানন - সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত।